বিধবা বোনের চহিদা পূরণ??

বিধবা বোনের চ|হিদা পূরণ??



আমি রাহুল রায়, এটা আমার সধ্য বিধবা দিদি সুমিতা রায় দেবী। আমাদের ফ্যামেলি আর্থিকভাবে খুব প্রভাবশালী, বাবা সরকারি আমলা। আমার মা নেই, ২০১৮ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মা মারা যায়। বাড়ীতে আব্বু ৫৫, আমি ১৭ আর আমার একমাত্র দিদি ২১ থাকেন। দিদির বিয়ে হয়েছি করোনার ভিতর ২০২০ সালের ২১শে জুন। করোনার কারনে লক-ডাউন থাকায় পারিবারিক ভাবে ছোট আসরে দিদির বিয়ে হয়।



জামাই বাবুর পরিবারও আমাদের মত প্রভাবশালী, দিদির শশুর মশাই ও আমলা। বাবার চেয়ে দিদির শশুর মশাইয়ের পদ বড়। বিয়ের পর খুব ভালো ভাবেই দিদির সংসার চলছিলো, কিন্তু করোনায় কারনে দিদির জীবনে নেমে আসলে অন্ধকার। ২০২১ সালের ৭ই আগষ্ট জামাই বাবুর করোনা পজেটিভ আসে, সকল প্রকার চেষ্টা করেও জামাই বাবুকে শেষ রক্ষা যায় নাই, দুই দিন পর জামাই বাবু করোনার কাছে হার মানেন। মাত্র ১ বছর দুই মাসের ভিতরে দিদি বিধবা হয়ে যায়।



জামাই বাবু মারা যাওয়ার পর আমরা দিদিকে আমাদের বাসায় নিয়ে আসি। তবে আমাদের পরিবারের একটা ঐতিহ্য হলো স্বামী মারা যাওয়ার পর মেয়েদের আর দ্বীতিয় বিয়ে দেওয়া হয় না। স্বামী মারা যাওয়ার পর মেয়েরা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মেয়েরা হয় তার স্বামীর বাড়ী থাকবে, নয়তো বাবার বাড়ী। দিদি যেহেতু কচি বয়সে বিধবা হয়েছে, তাই দিদিকে আমাদের বাসায় নিয়ে আসা হলো।



দিদি সব সময় সাদা শাড়ী ব্রাউজ পরতো। সাদা শাড়ীতে দিদি খারাপ লাগছিলো না, লাল শাড়ীর চেয়ে দিদিকে যেনো সাদা শাড়ীতে আরো হট লাগছিলো।



জামাই বাবু মারা যাওয়ার পর দিদি কেমন জানি হয়ে যায়, প্রতিদিন রাতে দিদির ঘুম থেকে আমি কান্নার আওয়াজ শুনতে পাই, আসলে দিদি জামাই বাবুকে খুব ভালো বাসতো। পারিবারিক ভাবে বিয়ে হলেও দিদির সাথে জামাই বাবুর বিয়ের আগ থেকেই সম্পর্ক ছিলো।



দিদির এই একাকিত্ব জীবন আমার ভালো লাগছিলো না, আর আমাদের পারিবারিক নিয়ম ও আমার ভালো লাগে না। একটা মেয়ে বিধবা হয়েছে বলে আবার বিয়ে করতে পারবে না, এটা কেমন নিয়ম? তারও তো শারীরিক চাহিদা আছে। সে তো ইচ্ছে করে বিধবা হয় নাই।



দিদির প্রতি আমার খুব মায়া হতে লাগলো। আমি সব সময় দিদির খোঁজ খবর রাখতাম, দিদিকে সময় দিতাম, ওর যা প্রয়োজন আমি এনে দিতাম। দিদির আমার ক্লোজ বন্ধু হয়ে গেলো। আমাদের পারিবারিক নিয়ম নিয়ে দিদির সাথে খোলা মেলা আলোচনা করতাম।



আমি দিদিকে বলেছি কতকাল একাকিত্ব জীবন বয়ে চলবি, তোর এখনো সামনে অনেক পথ চলার আছে। কেমন পারিবারিক এই একরোখা আইনের ভেড়াজালে তুই পরে থাকবি, তুই এই নিয়ম ভেগ্গে দে, আমি তোর সাথে আছি।



কিন্তু দিদি আমাকে ক্লিয়ার জানিয়ে দেয় আব্বুর সম্মান কখনো নষ্ট করতে পারবে না, দিদির চাই না তার জন্য আব্বু মনে কষ্ট পাক।



একদিন আমি কলেজ থেকে বাসায় এসে দেখি দিদির রুম থেকে চিৎকার শুনা যাচ্ছে, আমি ভাবলাম দিদি হয়তো কান্না করছে। শান্তনা দেওয়ার জন্য আমি দিদির রুমের দরজা খুলে ভিতরে ডুকে আমি যা দেখলাম, সেই দৃশ্য দেখার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। দিদি সম্পূর্ণ উ*লঙ্গ হয়ে খাটে শুয়ে তার গু*দে লম্বা বেগুন ডুকাচ্ছে।



আমাকে দেখে দিদি তাড়াতাড়ি উঠে বিচানা চাদর দিয়ে তার উ*লঙ্গ শরীর ঢেকে নিলো। আমিও লজ্জায় দিদির রুম থেকে চলে আসলাম। আমি আমার রুমে এসে শুয়ে থাকি, দিদির চকচকে সাদা উ*লঙ্গ শরীর বার বার আমার চোখে ভাসতে থাকে। এর আগে কখনো আমি দিদির দিকে খারাপ নজরে তাকাই নাই।



কিন্তু আজ দিদিকে উ*লঙ্গ দেখে আমি থ হয়ে গেলাম। দিদি যেমন সুন্দরী, তেমনী দিদির শরীরের গঠন, যেন কোন এক দেবী। এরপর থেকে দিদি প্রয়োজন ছাড়া আমার সামনে আসে না, আসলেও আমরা একে অন্যের চোখের দিকে তাকাই না।



দিদির চোখের দিকে না তাকালেও আমার চোখ এখন শুধু দিদির বুক আর পাছায় দিকে থাকে। আহ, এই সাদা শাড়ীর ভিতরে এক অমূল্য রত্ন পরে আছে, যা ভোগ করার মত কেউ নাই। আমি যতই ভুলে থাকার চেষ্টা করি ততই দিদির উলঙ্গ শরীর চোখে ভেসে আসে।



অবশেষ ঠিক করলাম, দিদির এই রসে ভরা শরীর আমিই ভোগ করবো। দরকার হলে দিদি কে নিয়ে আমি নিজেই পালিয়ে যাবো কোথাও। জানি দিদি রাজি হবে না, কিন্তু যে কোন ভাবে দিদিকে রাজি করাতে হবে। আর রাজি করাতে হলে আগে দিদির সব লজ্জা ভাংতে হবে। দিদির শরীরের কামনার আগুন আরো দ্বিগুন করতে হবে। যেন দিদি আমাকে দিয়ে চো*দাতে বাধ্য হয়।



একদিন বাসায় আমি দিদি একা ছিলাম, মা বাবা তাদের এক বন্ধুর বিবাহ বার্ষিকী তে গেলো। আমি দিদির একটা ব্রা চুরি করে নিয়ে আমার রুমের দরজা খোলা রেখে, দিদিকে কল্পনা করে হাত মা*রছি, আমি জানতাম দিদি কিছুক্ষন পর আমার রুমে আসবে। সেই অনুযায়ী প্লান করে আমি হাত মারছি আর দিদির ব্রা-তে নাক মুখ ঘষছি। আমি দেখলাম দিদি আমার রুমে আসছে,,আমি দেখেও না দেখার ভান করে অন্যদিকে ফিরে হাত মারছি। আর জোরে জোরে বলছি... আই ল্যাব ইউ দিদি, আই ওয়ান্ট ফাঁ*ক ইউ দিদি, দিদি তোমার এই আগুন ভরা শরীর আমাকে পাগল করে দেয় দিদি, তোমার মত এতো খাসা মা*ল আমি আর একটাও দেখি নাই, আই লাভ ইউ দিদি, আই লাভ ইউ বলতে বলতে আমি একগাদা মা*ল দিদির ব্রা'তে আউট করে দিলাম।



দিদি আমার হাত মারা দেখে বললো ছি ছি ছি রাহুল তুই এতো খারাপ ছি, শেষ পর্যন্ত তুই আমাকে ভেবে আমার ব্রা...তে ছি। দিদি এই কথা বলে আমার হাত থেকে তার ব্রা কেড়ে দিয়ে নিজের রুমের দিকে চলে গেলো।



আমি ভয়ে ভয়ে চুপিচুপি দিদির রুমের দিকে গেলাম, দেখি দিদি কি করে। উকি মেরে দেখি দিদি খাটের উপর বসে আমার মালে মাখা ব্রা হাতে নিয়ে আমার মাল গুলো তার আঙ্গুল দিয়ে নাড়াছাড়া করতে করছে। রাহুল রে ভাই আমার, আমারও মন চাই কারো চোদা খাই, কারো বাড়া গুদে নিয়ে নিজের সব রস বাহির করে দি। কিন্তু তুই আমার ভাই, আমি না পারছি দেহের জ্বালা সহ্য করতে, না পারছি কাউকে বলতে।



ভাই, তুই আমার ব্রা তে তোর এই অমূল্য মাল না ঢেলে জোর করে ধরে আমাকে চুদে আমার গুদে কেন এই মাল গুলো দিলি না। তুই কেন বুঝিস না তোর দিদির দেহে কত ক্ষুদা। আহ, কি বড় বা*ড়া তোর। আয় ভাই আমাকে জোর করে ধরে চু*দে দে।



দিদির কথা শুনে আমি রুমে ডুকে দরজা বন্ধ করে দিয়ে বললাম দিদি আমি আসছি, আজ তোর দেহের সব ক্ষিদে আমি মিটিয়ে দিবো। এই কথা বলে আমি দিদির বাহুতে হাত রাখি। দিদি লজ্জায় মাথা নিচু করে বসে আছে, আমি বললাম কিরে দিদি লজ্জা পাইছস নাকি?



এতোক্ষন তো আমাকে খুব বকাবকি করলি, ছি ছি করে আমার রুম থেকে চলে আসলি, আমি তো ভয়ে ছিলাম, না জানি তুই বাবা মাকে সব বলে দিস। এখন দেখি রুমে এসে ঠিকই তুইও আমার মতো কল্পনা শুরু করে দিলি।



আয় দিদি আজ তোর এই ভাই তোর সব কষ্ট দূর করে দিবে, আজ থেকে তোকে আর গুদের জ্বালায় গুদে বেগুন ডুকাতে হবে না, আজ থেকে তোর ভাইয়ের এই বিশাল বাড়ার মালিক একমাত্র তুই।



এই কথা বলে আমি আমার বা*ড়া বাহির করে দিদির মুখে সামনে ধরে রাখলাম, দেখি দিদি লজ্জায় আড় চোখে দেখছে আর মিটিমিটি হাসছে।

আমি... হা কর দিদি, আমার বাড়াটা একটু ভালো করে চুষে দে।

দিদি লজ্জা চোখে যাহ আমি পারবো বলে অন্যদিকে মুখ নিয়ে গেলো। আমি হাতে দিয়ে দিদির মুখ আমার বা*ড়ার সামনে নিয়ে আসলাম, এরপর মুখ হা করিয়ে আমার বা*ড়া দিদির মুখে ডুকিয়ে দিলাম।



এবার দিদি আস্তে আস্তে আমার বাড়া চুষতে লাগলো। আহ দিদি মুখে ছোঁয়া পেয়ে আমার বা*ড়া আরো বড় হতে লাগলো। দিদি কলার মতো আমার বা*ড়া চুষতে লাগলো। আমিও দিদির চুলের মুঠি ধরে দিদির মুখে ঠাপ দিতে লাগলাম। আমার ৮ ইঞ্চি বাড়া দিদির গলার ভিতরে ডুকছে আর বাহির হচ্ছে।

ঠাপ দিতে দিতে মনে হচ্ছে আমার মাল বাহির হয়ে যাবে, তাই দিদি কে বললাম দিদি থাম দিদি থাম আমার মাল বাহির হয়ে যাবে।



দিদি আমার বাড়া মুখ থেকে বাহির করে বললো বাহ কি এক বা*ড়া আমার ভাইয়ের, খেয়ে খুব মজা পাইছি। আয় ভাই এবার আমার গুদের জ্বালা মিটা। তোর জামাইবাবু মরার পর আমি খুব কষ্টে আছি, দে ভাই আমার সব জ্বালা মিটাই দে।



দিদি তার শাড়ি ব্রাউজ পেটিকোট সব খুলে দুই পা ছড়িয়ে শুয়ে পড়লো। আহ আমার স্বপ্নের রানী কে দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। এতো সুন্দর দিদি আমার এতো দিন সাদা কাপড় পরে আছে। আমি দিদির উপর শুয়ে তার ঠোঁটে চুমো খেলাম, দিদি আহ করে উঠলো।

দিদির ঠোঁট চুষতে চুষতে দুধ টিপতে লাগলাম, আহ কি যে মজা। দিদি পাগলের মত বলতে লাগলো রাহুল আদর কর ভাই আমাকে আদরে আদরে ভরে দে ভাই।



আমি একটা হাত দিদির গুদে উপর নিয়ে গেলাম, দিদির গু*দ যেন জলন্ত আগুন, আহ সেই কি গরম মনে হচ্ছে আমার হাত পুড়ে যাবে। আমি দিদির স্বর্গের গর্তে একটা আঙ্গুল ডুকিয়ে দিলাম, দিদি আহ আহ ওহ ওহ করে উঠলো। অনেক দিন পর দিদির গুদে পুরুষ মানুষের কিছু ডুকলো, তাও সেটা তার নিজ ভাইয়ের আঙ্গুল। আমি দিদির গুদে আঙ্গুলি করতে ছিলাম, আমি আঙ্গুল ডুকাচ্ছি আর দিদির গুদ থেকে জল বাহির হচ্ছে।



আমি দিদির সারা শরীর নিয়ে মজা করতে লাগলাম, দিদি আমার সাপের মতো এইদিক সেইদিক মোছড় দিতে লাগলো। দিদি আমার আদর সহ্য করতে না পেরে বললো রাহুল ভাই তোর পায়ে পড়ি ভাই তোর বাড়া আমার গুদে ডুকা ভাই, প্লিজ ভাই ডুকা, তোর বাড়া দিয়ে চুদে আমার গুদ ঠান্ডা করে দে ভাই দে ভাই দে।



দিদির কষ্ট আমার আর সহ্য হচ্ছিলো না, তাই দিদির দুই রানের মাঝে বসে আমার বাড়ায় এক মুঠো থুথু লাগিয়ে দিদির গুদে এক ঠাপে আমার পুরো বাড়া ডুকিয়ে চুদতে লাগলাম। আহ সেই কি চোদা ঠস ঠস ঠস ঠস আওয়াজ হতে লাগল। ঐদিকে দিদি আহা আহ ওহ আহ আহা ফাক ফাক ফাক ফাক আহ ওহ ফাক আহ রাহুল ফাক মি ফাক মি রাহুল আহ চো*দ চো*দ ভাই ফাক মি আহ ভগবান আহ ভাগবান আহ আহ ভাগবান কি সুখ আহ আহ ওহ আহ চোদ্দদ্দদ্দদ্দদ আহ আহ আহ হ ওওওওওওওও আহ করতে লাগলো।



দিদির আহ আহ চিৎকারে সারা ঘর একটা অন্য রকম অনুভূতি হচ্ছে। আমিও দিদির খিস্তিতে আরো জোরে জোরে দিদিকে চুদতে লাগলাম।



রাহুল ভাই দে, দে আরো জোরে দে ভাই, আহ আরো জোরে আরো দে আহ আহ ওহ দে ওহ ওহ ওহ চো*দ চোদ রাহুল ওহ ওহ আ আ আ আ আ আ আ.... করে মাল ছেড়ে।



কিন্তু আমার এখনো হয় নাই, আমি দিদির মা*ল গুলো পেটিকোট দিয়ে মুচে, দিদির দুই পা কাদে তুলে নিলাম। তারপর আবার দিদির গুদে বাড়া ডুকিয়ে চুদতে লাগলাম, এবার মনে হচ্ছে আমার পুরো বা*ড়া দিদি গুদের শেষ পান্তে গিয়ে ঠেকেছে, আহ আমি রাম ঠাপ দিচ্ছি আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহা হা আহা হা আহ দিদি আহ দিদি আহ আমার দিদি আহ আমার দিদি আমার বউ আমার দিদি আমার বউ আহ আহ তুই আজ থেকে আমার বউ আহ আহ আহ দিদি বউ তোকে চুদে কি মজা আহ দিদি আহ আহ আহ, আমার এমন দিদি ঘরে থাকতে আমি প্রতিদিন হাত মারি। আহ আহ ওহ ওহ দিদি আহ আহ আহ কি মজা আহ আহ মজা দিদি আহ আহ।



দিদিও আমার চোদা আর খিস্তির সাথে তাল মিলিয়ে আহ আহ ওহ ভাই রাহুল তুই আর হাত মারতে হবে না না ভাই, আজ থেকে তোর দিদি তোর জন্য গুদ নিয়ে বসে থাকবে তোর যখন মন চাইবে তোর দিদি কে চুদবি। আহ আহ ওহ চো*দ রাহুল চোদ, আজ থেকে তুই আমার স্বামী, তুই আমার বর, আহ আহ তুই আমার ভাতার আহ আহ ওহ ভগবান আহ কি সুখ।



হে ভগবান আগে যদি জানতাম ভাইয়ের চো*দায় এতো সুখ তুমি রেখেছো তাহলে কত আগে রাহুলকে দিয়ে আমার গু*দ চো*দতাম, আহ ভাগবান আহ আহ ওহ আহ আ আ আ আ আ আ আ আ আ আ আ আ আয়া আ আ আ আ আ করে দিদি আবার মাল ছেড়ে দিলো। আমি রাম ঠাপ দিয়েই যাচ্ছি, আমার ও মাল আসার সময় হয়ে আসছেব,তাই আমি দিদির গু*দ থেকে বাড়া বাহির করে নিলাম।



দিদি বললো কি যে তোর যে মাল বাহির হচ্ছে না, আমি বললাম তোমাকে ভেবে প্রতিদিন তো মাল আউট করে সব্বফেলে দিয়েছি, তাই মাল আসতে দেরী হবে। আজ সারাদিন তোমাকে চুদবো। আজ সারাদিন তুমি শুধু আমার।



আমি দিদিকে কুত্তার মতো শুইয়ে দিয়ে দিদির গুদ চুদতে লাগলাম, আহ আহা হা আহ দিদি আহ আহ ওহ দিদি আহ আহ সুমিতা আমার দিদি আমার বউ তোকে আমি আমার করে নিবো। আহ আহ আহ তোকে আমি বিয়ে করে সারাজীবন চু*দবো। আহ আহ আহ কি মজা সুমিতা দিদি আহ আহ ওহ ওহ।



দিদিও চোদা খেতে খেতে বললো, চোদ রাহুল চোদ, আমিও সারাজীবন তোর চো*দা খেতে চাই আহ ভাই চো*দ আহ আহ আহ ওহ ভগবান তোমাকে ধন্যবাদ এমন একটা ভাই আমার জীবনে দেওয়ার জন্য। ভাগবান তুমি আসলেই ভালো আহ আহ আহ নাহলে কি এমন ভাই কারো জোটে আহ চো*দ ভাই।



আমি ঠাপের গতি আরো বাড়িয়ে দিলাম, ঠস ঠস ঠস ঠস আওয়াজ হতে লাগল সারা ঘরে। সুমিতা আহ আহ ওহ আ আ আ আ আ আহ আহা আহ আ আ আ আ ওহ ও ও ও ও ও ও ও আহ আহা চোদ চোদ চোদ চোদ ফাক ফাক ফাক রাহুল ফাক মি ফাক রাহুল ও ও ও ও আ আ আ আ আ ও আ ও আ ও করতে লাগলো।



এবার দিদিকে টেবিলের উপর রাখলাম, আমি টেবিলের নিচে দাঁড়িয়ে দিদিকে চুদতে লাগলাম। আহ আহা আহা আহা আহা আহা দিদি আহা আহা আহা দিদি দিদি আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ ওহ ওহ দিদি আহ আহ ওহ ওহ দিদি আহ আহ ওহ ওহ দিদি আহ আহ ওহ ওহ দিদি আহ আহ ওহ ওহ দিদি আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ ওহ আহ আ আ আ আ আ আ করতে আমার মাল এসে গেলো।



দিদিকে বললাম দিদি আমার মাল বাহির হবে, মাল কোথায় দিবো,গুদে? দিদি বললো দে ভাই দে তোর সব মাল আমার গুদে দিয়ে গুদ ভাসিয়ে দে, কত দিন এই গু*দে মাল পড়ে না। আহ আহ আহ আহ দে ভাই দে ভাই দে তোর সব মাল আমার গুদে দিয়ে গুদ ভাসিয়ে দে আহ আহ আহ আহ ওহ ওহ।



আমি দিদিকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আরো কিছুক্ষণ ঠাপ দিতে লাগলাম আহ আহ আহ আহ আহ ওহ আহ আহ আহ ওহ ওহ দিদি কি মাল রে তুই, তোকে চুদতেই মন চাই আহ ওহ আহ আহা।

দিদিও আমার গলা দুই হাতে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে তলঠাপ দিতে লাগলো। আহ আহ আহ রাহুল আ তুই যে চো*দা দিলি আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি রে ভাই, ওহ ওহ ওহ আহ আহা ফাক ফাক ফাক রাহুল ফাক রাহুল ফাক মি ফা*ক মি ফাক মি আহ ভগবান আহ আহা ফাক ফাক রাহুল ফাক রাহুল ফাক রাহুল ফাক মি আহ।



আমি দিদিকে খাটে শুইয়ে জোরে জোরে আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ আহ ঠাপ মেরে দিদির গুদে মাল আউট করে দিলাম। জোরে চাপ দিয়ে আমার বাড়া দিদির গুদের ভিতরে চেপে ধরে দিদিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে রাখলাম । দিদি আহ আহ আহ রাহুল বলে দুই পা দিয়ে আমার কোমর পেঁছিয়ে ধরে ৩য় বারের মতো তার মাল আউট করলো।



আমি দিদি একজন অন্যজনকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকলাম অনেকক্ষণ ।।



আমি মাথা তুলে দিদির মুখে দিকে তাকালাম, দিদি মনে সুখে তৃপ্তির ঢেউ তুলছে, তার দুই ঠোঁটে সুখের হাসি। আমি দিদিকে ডাক দিলাম, দিদি চোখ খুলে আমার দিকে তাকালো, তারপর আমার ঠোঁটে একটা চুমো দিয়ে বললো থ্যাংক ইউ রাহুল থ্যাংক ইউ, তুই আমাকে নতুন জীবন উপহার দিলি ভাই, আজ থেকে তুই আমার নতুন স্বামী। তুই যখন চাইবি আমাকে পাইবি। আমি ও দিদিকে চুমো দিয়ে বললাম আই লাভ ইউ দিদি, আই লাভ ইউ, আমিও তোমাকে দিদি না আমার বউয়ের মতো করেই রাখবো। আজ থেকে তুমি মনে করবে তুমি বিধবা না, তোমার স্বামী আছে, আর আমিই সেই স্বামী। তোর ভাই, তোর স্বামী।



এইভাবে বাবা মায়ের চোখ পাখি দিয়ে আমি দিদিকে চুদতে লাগলাম। কিন্তু দিদির পেটে বাচ্চা চলে আসলে বড় সমস্যা হয়ে যাবে, তাই দিদিকে দূরে এক ডাক্তারের কাছে নিয়ে গিয়ে ৫ বছরের জন্য বাচ্চা না হওয়ার ইনজেকশন দিয়ে আসলাম। এখন কোন রিক্স ছাড়া ভালোই চলছে আমাদের দিদি ভাইয়ের চোদাচুদি।



সমাপ্ত
Published by somasmaster793
5 months ago
Loading...
xHamster is adults only website!

The content available on xHamster may contain pornographic materials.

xHamster is strictly limited to those over 18 or of legal age in your jurisdiction, whichever is greater.

One of our core goals is to help parents restrict access to xHamster for minors, so we have ensured that xHamster is, and remains, fully compliant with the RTA (Restricted to Adults) code. This means that all access to the site can be blocked by simple parental control tools. It is important that responsible parents and guardians take the necessary steps to prevent minors from accessing unsuitable content online, especially age-restricted content.

Anyone with a minor in their household or under their supervision should implement basic parental control protections, including computer hardware and device settings, software installation, or ISP filtering services, to block your minors from accessing inappropriate content.